Connect with us

আন্তর্জাতিক

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সল্টলেকে লড়াই হবে ভারত বাংলাদেশের

এক মাসেরও বেশি সময় বাকি, কিন্তু ভারতের কোচ ইগোর স্তিমাক এখনই ডুবে আছেন ‘ই’ গ্রুপের এই ম্যাচটিতে।

প্রকাশিত

তারিখ

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সল্টলেকে লড়াই হবে ভারত বাংলাদেশের
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লাল সবুজদের নতুন লড়াইয়ের আশা। ছবিঃ বাফুফে

“বিশ্বকাপ বাছাইয়ের এশিয়া পর্ব। কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও ভারত।”এশিয়া অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আগামী ১৫ই অক্টোবর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও ভারত ।

এক মাসেরও বেশি সময় বাকি, কিন্তু ভারতের কোচ ইগোর স্তিমাক এখনই ডুবে আছেন ‘ই’ গ্রুপের এই ম্যাচটিতে।

বিশাল জনসংখ্যার ভারতে ফুটবলের প্রতি মানুষের ভালোবাসার নিদর্শন দেখতে চান তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। তাই তার চাওয়া, সল্টলেক স্টেডিয়াম যেন কানায় কানায় পূর্ণ থাকে। ক্রোয়েশিয়ার এই কোচের মতো বাংলাদেশ ম্যাচে গ্যালারি ভর্তি দর্শক কামনা করছেন ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীও।

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কাতারের বিপক্ষে ভারতের অসাধারণ সাফল্যের তিনি অংশীদার হতে পারেননি। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ০-০ ড্রতে ১ পয়েন্ট কুড়ায় ভারতীয়রা। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেদিন স্টেডিয়ামেও যেতে পারেননি সুনীল ছেত্রী। টিম হোটেলে বসেই গুরপ্রীত সিংহ সাঁধুদের দুরন্ত লড়াই দেখেছেন তিনি।

১৫ই অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে মরিয়া ভারত অধিনায়ক। ভারতীয় ফুটবলে সুনীলের উত্থান কলকাতা থেকেই,কলকাতার জামাইও তিনি। আর তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ যুবভারতীতে হবে জানার পর থেকেই আবেগপ্রবণ ভারতীয় ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সফল এ স্ট্রাইকার।

জাতীয় কোচ ইগর স্তিমাকের মতো তিনিও বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের আবেদন করলেন ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে আসার জন্য। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে সুনীল বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে কাতারের বিপক্ষে খেলা তো দূরের কথা স্টেডিয়ামেও যেতে পারিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ম্যাচে যুবভারতীর গ্যালারি ভর্তি না হলে আমি অবাকই হব। কারণ, ফুটবলের প্রতি বাংলার মানুষের আবেগ কারও অজানা নয়।’ তিনি যোগ করেন, ‘কলকাতা থেকেই আমার ফুটবল জীবন শুরু। তাই বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

কেন ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে আসার জন্য ফুটবলপ্রেমীদের আবেদন করছেন, তার ব্যাখ্যাও দিলেন সুনীল। বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলারেরা মাঠে নেমে যদি দেখে ভারতীয় দলকে সমর্থন করতে স্টেডিয়াম পুরো ভর্তি হয়ে গিয়েছে, তা হলে ওরা চাপে পড়তে বাধ্য। আমার নিজেরও এই অভিজ্ঞতা হয়েছে।’

ব্যাঙ্গালুরুতে থাকলেও বাঙালির উৎসব সম্পর্কে ভালোই জানা আছে সুনীলের। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচটা ১৫শে অক্টোবর। বাংলার সঙ্গে আমার নিবীড় সম্পর্ক।

“তাই খুব ভালো করেই জানি, দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বাংলায় তখনও উৎসবের আবহ থাকবে। আমি চাই, সবাই তাদের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে যেন স্টেডিয়ামে আসেন আমাদের উদ্বুদ্ধ করতে। সাক্ষী থাকেন, আশিক কুরিয়ন, উদান্ত সিংহ, অনিরুদ্ধ থাপা, সাহাল সামাদের মতো একঝাঁক ভারতীয় ফুটবলের নতুন প্রজন্মের তারকাদের খেলা দেখার।’

অসুস্থ হয়ে পড়ায় কাতারের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি সুনীল। এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন তিনি। তার মধ্যেও বাংলাদেশ ম্যাচের মানসিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। সুনীলের কথায়, ‘আশা করছি, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে সুস্থ হয়ে উঠব। কাতার ম্যাচের ছন্দ ধরে রাখাই এখন আসল পরীক্ষা।’

কাতারের বিপক্ষে খেলে বুধবারই দোহা থেকে দেশে ফিরেছে ভারতীয় দল। ফুটবলারেরা প্রত্যেকেই যে যার ক্লাবে ফিরে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে তারা ব্যস্ত আইএসএলের প্রস্তুতিতে। তবে প্রত্যেকের উপরেই কড়া নজর রাখছেন কোচ ইগর।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক