Connect with us

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ

ডি মারিয়ার জোড়া গোল, প্যারিসে বিবর্ণ রিয়াল

১৩ বছর পর নিজেদের চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রথম ম্যাচ হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

প্রকাশিত

তারিখ

ডি মারিয়ার জোড়া গোল, প্যারিসে বিবর্ণ রিয়াল
মাত্র ১৪ মিনিটেই পিএসজিকে উৎসবের সূচনা এনে দেন ডি মারিয়া। ছবিঃ দি গোল

ইনজুরির কারণে ছিলেন না নেইমার-কাভানি-এমবাপ্পে ত্রয়ীর একজনও। বিপক্ষে ছিল হ্যাজার্ড-বেঞ্জেমা-বেলের আক্রমণভাগ। তবুও বড় ধরনের হারের ক্ষত নিয়েই পিএসজির মাঠ থেকে ফিরতে হয়েছে তাদের। ডি মারিয়ার জোড়া গোলে রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে পিএসজি।

দুই দলেই ছিল ইনজুরির মিছিল। পিএসজি তে আক্রমণত্রয়ীর না থাকা একদমই বুঝতে দেননি ডি মারিয়া। নিজে জোড়া গোল করেছেন, শেষ গোলেও ছিল অবদান। এ সিজনে যেনো রিয়ালের সাবেক খেলোয়ারদের রিয়ালের বিপক্ষে জলে ওঠা একরকম নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আর তাতেই ১৩ বছর পর নিজেদের চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রথম ম্যাচ হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

পার্ক ডি প্রিন্সেসে মাত্র ১৪ মিনিটেই পিএসজিকে উৎসবের সূচনা এনে দেন ডি মারিয়া। মাউরো ইকার্দির অভিষেক ম্যাচে নিজেরও থাকলো কিছুটা অবদান। ইকার্দি বল দিয়েছিলেন বার্নেটকে, বার্নেটের ক্রসকে উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে বলের দিক বদলে জালে পাঠিয়ে লীড এনে দেন ডি মারিয়া।

২য় গোলটিও মারিয়ার। ৩৩ মিনিটে ইদ্রিসা গানার ঠিক ডি বক্সের মাথায় বল দেন ডি মারিয়াকে। সেখান থেকে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি তিনি।

এরপর কখনো সুযোগ নষ্ট, কখনো ভিএআরে বাতিল হয় রিয়ালের ফিরে আসার সুযোগ। বেলের দারুণ ফিনিশে গোলের পর ভিএআরে দেখা যায় বেলের হাতে লেগেছিল বল।

ইনজুরির ধকল পিএসজি না সামলাতে হলেও ভালো ভুগিয়েছে রিয়ালকে। ৭০ মিনিটে হ্যাজার্ডকে উঠিয়ে নিতে বাধ্য হন জিদান।

এর একটু পরই করিম বেঞ্জেমা দারুণ এক গোল করেছিলেন, কিন্তু সতীর্থ লুকাস ভাস্কুয়েজের জন্য বাতিল হয় গোলটি। প্রথমত তিনি গোলকিপারের দৃষ্টিতে বাধা দিয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত ছিলেন অফসাইডে।

একটু পর বেঞ্জেমা যে সুযোগটি হারালেন অন্তত কালকের পরিস্থিতে এটি গোল হওয়া উচিত ছিল। শেষে রিয়াল গোলের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরেও কাউন্টার এটাকে শেষ মূহুর্তে গোল খায় আরো একটি।

তাই সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে কেইলর নাভাস ছিলেন দর্শক। ম্যাচের ৪৮ শতাংশ বল দখলে রেখে নয়টি আক্রমণ করেও গোলমুখে কোন শট নেই।

ঠিক ১৬ বছর আর ম্যাচের হিসেবে ১৬৭ ম্যাচ পর এমন কিছু দেখলেন সমর্থকরা। চ্যাম্পিয়নস লিগে আবারও এক ম্যাচে গোলে কোনো শট না করার স্বাদ পেলেন জিদান।

২০০৩-০৪ মৌসুমেও একই স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। সেবার খেলোয়াড় হিসেবে, এবার কোচ। জিদান কি পারবেন দলের এ ভঙ্গুর অবস্থা থেকে দলকে বের করতে। সেটি সময়ই বলে দিবে।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক