Connect with us

ক্লাব

আবারো মেসির গোল, শীর্ষে বার্সা

৮৬ মিনিটে করা মেসির একমাত্র গোলে ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে অ্যাটলেটিকোকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা।

প্রকাশিত

তারিখ

আবারো মেসির গোল, শীর্ষে বার্সা
মেসির একমাত্র গোলেই জয় নিয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। ছবিঃ মিরর

পুরো ম্যাচেই বোতলবন্দী হয়ে ছিলেন। বলার মত তেমন কোন সুযোগও পাননি। নিশ্চিত ড্র হতে যাওয়া ম্যাচে সময়মত ঘুম থেকে জেগে উঠলেন।

আবারো মেসি দূর্দান্ত গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠ থেকে মহামূল্যবান তিনি পয়েন্ট এনে দিলেন বার্সেলোনাকে। সাথে ভালভার্দের চাকরিটাও।

মেসির ৮৬ মিনিটে করা একমাত্র গোলটিই ম্যাচের নির্ধারক হয়ে থাকলো। আর তাতেই ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে দুই ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল বার্সা।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার ম্যাচ গড়াচ্ছিল নিশ্চিত ড্রয়ের পথে।

দুর্দান্ত সব সেভ করে মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগান এবং ওবলাক লড়াই করে যাচ্ছিলেন গোলপোস্ট অক্ষত রাখতে।

এদিকে বার্সেলোনাও ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে। কিন্তু মেসি থাকতে দিনশেষে অন্যরা নায়ক হবেন কেনো!

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ যেভাবে খেলছিল তাতে ড্র করে বাড়ি ফেরাটাই সৌভাগ্য ছিল বার্সার জন্য। অ্যাটলেটিকো দিনশেষে নিজেদের ভাগ্যকেও দুষতে পারে।

রেফারি যে আজকে ছিলেন খ্যাপাটে অবস্থায়। রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত অ্যাটলেটিকোর পক্ষে গেলে এ ম্যাচ জিতে ফেরা হত না।

ইনজুরিতে পড়া জর্দি আলবার জায়গায় নামা জুনিয়র ফিরপো আজও খেলেছেন বাজে একটি ম্যাচ।

খেলার শুরুতেই হেরমোসোর ক্রস ঠেকাতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল দিয়ে বসেছিলেন। বারপোস্টের কারণে সে যাত্রা রক্ষা।

এরপর শুরু টার স্টেগান শো।

বক্সের ভেতর থেকে করা হেরমোসের শক্তিশালী ভলি জালে যায়নি টের স্টেগানের পা দিয়ে করা অতিমানবীয় এক সেভে। এরপর আলভারো মোরাতার হেড এক হাত দিয়ে ফিরিয়েছেন।

বার্সাও প্রথমার্ধে এগিয়ে যেতে পারত। আবারও বারপোস্ট বাঁধা। কর্নার থেকে জেরার্ড পিকের হেড গিয়ে তখন লেগেছে বারপোস্টের মাথায়।

গ্রিজম্যানের জন্যও এ ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। গত মৌসুমেও খেলছেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে। এবার অন্য দলের হয়ে তাদের বিপক্ষেই নেমেছিলেন।

বাকিদের মতো তিনিও ছিলেন ছায়া হয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে মেসির পাস থেকে ভালো জায়গায় বল পেয়েছিলেন গ্রিযমান।

সাইড ভলি করেছিলেন, সেটাও গেছে বারপোস্টের অনেক ওপর দিয়ে।

এ ম্যাচেও বিতর্কের শেষ ছিল না। ৭০ মিনিটে মোরাতাকে স্লাইড ট্যাকেলে ফেলে দিয়েও বেঁচে গেছেন পিকে।

প্রথমার্ধেই হলুদ কার্ড দেখানোয় রেফারি দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পথে হাঁটতে চাননি। পরে ৮৩ মিনিটে ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন পিকে।

এর আগে ক্লেমেন্ত লেংলেরও উড়ে আসা বল বক্সের ভেতর ক্লিয়ার করতে হাতে ছুঁয়ে গিয়েছিল, তবে রেফারি বা ভিএআর কেউই সেটাকে পেনাল্টি মনে করেননি।

৮৬ মিনিটে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল। মেসি অ্যাটলেটিকোর অর্ধ থেকে দৌড় শুরু করে থামলেন বক্সের সামনে।

লুইস সুয়ারেজকে পাস দিলেন। ফিরতি পাস নিয়ে আরেকটু দৌড়ে এর পর বক্সের বাইরে থেকেই নিচু শটে বটম কর্নারে বল জড়ালেন মেসি।

রিয়াল মাদ্রিদের সমান ১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে গোলব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক