Connect with us

আন্তর্জাতিক

৩৪তম লা লীগার শিরোপার মুকুট পড়লো রিয়াল

প্রকাশিত

তারিখ

লা লীগার ৩৪ তম শিরোপা উল্লাস রত টীম রিয়াল।ছবিঃ মাদ্রিদিস্তা

জিনেদিন জিদানের শিষ্যদের উৎসবের দিন। ৪ বছরে রিয়ালের হয়ে জিতলেন ১১ টি ট্রফি। কোচ জিদান সেরা নাকি খেলোয়ার সে আলোচনা তোলা রইলো ভবিষ্যতের জন্য।

করিম বেঞ্জেমারার জোড়া গোলে টানা দশ ম্যাচে অপ্রতিরোধ্য জয়ে স্প্যানিশ ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিরোপার মালিক রিয়াল মাদ্রিদ।

বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের মাঠে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো স্টেডিয়ামে ভিলারিয়ালকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই লা লিগা ট্রফি এখন স্যান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।

খেলার শুরু থেকেই রিয়াল পুরো মাঠ জুড়ে ছিলো যেনো ভীষণ অপ্রতিরোধ্য।

মিনিট দশের মধ্যেই দুটো গোলের সুযোগ তৈরী করে গোল পেতে ব্যর্থ হলেও অপেক্ষার পালা বাড়তে দেননি ফরাসি স্ট্রাইকার বেঞ্জেমা।

২৯ মিনিটেই লুকা মদ্রিদচের পাস থেকে করিম বেঞ্জেমারা গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে সোজা বল জড়ান প্রতিপক্ষের জালে।

ডি-বক্সের মধ্যে রামোস ফাউলের শিকারের ফলে ৭৭ মিনিটে এক পেনাল্টির দেখা পায় রিয়াল।

শট নিতে এগিয়ে যাওয়া রামোস সরাসরি গোলবারে না মেরে আলতো করে পাস দেন বেঞ্জেমার উদ্দেশ্যে।

বেঞ্জেমার সে গোল জালে জড়ালেও প্রতিপক্ষের তুমুল বিপত্তিতে সে গোল বাতিল হলে আবার পেনাল্টি শটে ফিরে যেতে হয় রিয়ালকে।

সরাসরি স্পটকিক নিয়ে ৭৭ মিনিটে দলের জন্য দ্বিতীয় জয়সূচক গোল করেন এ ফরাসি স্ট্রাইকার।

২১ গোল করে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে মেসির পরই থাকলেন তিনি।

তবে ৮৩ মিনিটের মাথায় ভিয়ারিলের ভিসেন্তে ইবোরার গোলে  স্কোরলাইন ২-১ হলে  উত্তেজনা  আসে ম্যাচে।

এর ঠিক পাঁচ মিনিট পরে জোড়া গোলের সুযোগও মিস করে দলটি।

সর্বোচ্চ ৮৬ পয়েন্ট এখন রিয়ালের। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ১০ জনের ওসাসুনার কাছে হারের পর বার্সার পয়েন্ট ৭৯।

ফলাফল দুই বছর লা লীগার শিরোপার খেতাব আবার রিয়ালের।

ইতিহাসের সেরা ক্লাবের রাজমুকুটে আরেকটি গৌরবময় পালক…

মাদ্রিদিস্তা হৃদয়ের আরেকটু প্রশান্তি…

কোভিড বিরতির পর বাকি ছিল ১১ ম্যাচ জিদান বলেছিলেন ‘১১ ফাইনাল।’ অথচ শেষ ফাইনালটি এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা ও উদযাপনের মঞ্চ।

জিজু জানতেন, গোল করায় রোনালদোর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। তিনি তাই জোর দিয়েছিলেন এবার ডিফেন্স ও মিডফিল্ডে।

মৌসুমের পর মৌসুম, শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে কেবল ডিফেন্সের কারণে। এবারের শিরোপা মুলত ডিফেন্সের শক্ত পারফরমেন্সের ই পুরষ্কার।

আক্রমণভাগে বেঞ্জেমার জাদুকরী ধারাবাহিকতা,মধ্যমাঠের সেনানী মড্রিচ,ক্রুস ক্যাসামিরোর টিম গেম আর ডিফেন্সে সদা ব্যস্ত মার্সেলো কাপ্তান রামোস ভারানে আর কারভাহাল এর অসাধারন নৈপূন্য। গোলবারে আস্থার প্রতিদান হয়ে উঠা করতোয়া যেন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত।

নতুন রত্ন ভাল্ভার্দে, ক্লাবের সামনের পথচলার ভরসা… ভিনিসিউস-মঁদি-রদ্রিগো-ভাসকেস, আর ইসকো এরা সবাই যেন জিদানের সুনিপুন কারিগড়তার এক একজন রুপকার।

অভিনন্দন রিয়াল মাদ্রিদ।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক