Connect with us

অ্যাথলেটিক্স

হাইজাম্পে দেশের ইতিহাসে প্রথম পদক এনে দিলেন মাহফুজুর

এসএ গেমসের ইতিহাসে হাইজাম্পের ইভেন্টে এটাই প্রথম পদক বাংলাদেশের।

প্রকাশিত

তারিখ

হাইজাম্পে দেশের ইতিহাসে প্রথম পদক এনে দিলেন মাহফুজুর
বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সোনা এনে দেয়া আল-আমিন। ছবিঃ র‍্যাবিটহোল বিডি

নেপালে অনুষ্ঠিত ১৩ তম এসএ গেমসে অ্যাথলেটিকস ইভেন্টে প্রথম দিনেই বাংলাদেশকে পদক এনে দিয়েছেন মাহফুজুর রহমান। ছেলেদের হাইজাম্পে রূপা জেতেছেন এ অ্যাথলেট।

স্বর্ণ জিততে না পারলেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন মাহফুজুর। হাইজাম্পে এর আগে জাতীয় রেকর্ড ২.১৫ মিটার উচ্চতা তাঁর দখলেই ছিল।

এবার নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন তিনি। ২.১৬ মিটার উচ্চতা টপকে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হয়ে রুপা জিতলেন।

ভারতের সারভেশ অনিলের কাছে হেরে স্বর্ণ বঞ্চিত হন তিনি। তবে ভারতেরই আরেক অ্যাথলেটের সঙ্গে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হন মাহফুজুর।

এসএ গেমসের ইতিহাসে হাইজাম্পের ইভেন্টে এটাই প্রথম পদক বাংলাদেশের।

নেপালে অনুষ্ঠিত ১৩ তম এসএ গেমসে এখন পর্যন্ত ৪ টি স্বর্ণ জিতেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে আজকেই (মঙ্গলবার) স্বর্ণ এসেছে তিনটি।

গতকাল তায়কোয়ান্দোতে এবং দেশের হয়ে প্রথম পদক জেতেন হোমায়রা আক্তার। দেশকে প্রথম পদক জেতানো হোমায়রা নিজে সম্পূর্ণ খুশি ছিলেন না।

একক কাতায় ব্রোঞ্জ জয় তৃপ্ত করতে পারেনি তাঁকে। কাতার আক্ষেপ ৬১ কেজি কুমিতে এসে স্বর্ণ দিয়ে ঘোচালেন।

মেয়েদের কুমি ইভেন্টের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের গুল নাজকে ৪-০ পয়েন্টে উড়িয়ে ফাইনালে পা রাখেন হোমায়রা।

ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নেপালের আনু গুরং। হোমায়রা বেশ সহজেই আনুকে হারিয়েছেন ৫-২ পয়েন্টে।

গতকালই প্রথম সোনার আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন দিপু চাকমা। সেটিও তায়কোয়ান্দোর ২৯ বা বেশি ওজনের প্রতিযোগীদের ইভেন্ট পুমসের মাধ্যমে।

তায়কোয়ান্দোর মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো বাজল দেশের জাতীয় সংগীত।

২০০১ সাল থেকে তায়কোয়ান্দোতে খেলছেন সেনাবাহিনীতে চাকরি করা দিপু। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আসরে ৫টি সোনা ও ১টি রুপা জিতেছেন তিনি।

সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েই তায়কোয়ান্দোকে ভালোবাসা শুরু করেন বাংলাদেশের এই সোনাজয়ী। এসএ গেমসে এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছেন দিপু।

আজ স্বর্ণ এসেছে এখন পর্যন্ত আরো তিনটি। আজকের দিনের প্রথম দুইটি স্বর্ণ এসেছে কারাতে ইভেন্ট থেকে।

মজার ব্যাপার হল, দুটি ইভেন্টের ফাইনালেই পাকিস্তানের প্রতিযোগীদের হারিয়েছেন বাংলাদেশের কারাতেকাররা।

আজ কারাতে ইভেন্টের ৬০ কেজি ওজন শ্রেণি কুমিতে ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্বর্ণ এনে দিয়েছেন আল আমিন।

ফাইনালে পাকিস্তানের জাফরকে ৭-৩ পয়েন্টে হারিয়ে সোনার পদক নিশ্চিত করেন আল আমিন ইসলাম। সেমিফাইনালে নেপালের প্রতিযোগীকে ৭-৪ ব্যবধানে হারান তিনি।

নেপালের কাঠমান্ডুতে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজানোর সুযোগ করে দিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ক্রীড়াবিদ।

মেয়েদের কুমিতে অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজির ফাইনালে পাকিস্তানের কউসার সানাকে ৪-৩ পয়েন্টে হারিয়ে দিনের দ্বিতীয় স্বর্ণ এবং সর্বমোট তৃতীয় স্বর্ণ পদক এনে দিয়েছেন মারজানা আক্তার পিয়া।

সেমিফাইনালে তিনি নেপালের মানিশ চৌধুরীকে ২-১ পয়েন্টে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন।

এরপর তো বাংলাদেশের হয়ে চতুর্থ সোনা জিতলেনই হোমায়রা।

আজ বাংলাদেশ রুপার মুখও দেখেছে। কারাতের ৬৭ কেজি ওজন শ্রেণিতে রুপা জিতেছেন সেনাবাহিনীর ফেরদৌস।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক