Connect with us

ক্রিকেট

সিলেটকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আশা বাচিয়ে রাখল রংপুর

ডেলপোর্ট-নাঈমের ব্যাটিংয়ে ১৬ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই সিলেটের দেয়া ১৩৪ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে গিয়েছে রংপুর।

প্রকাশিত

তারিখ

সিলেটকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আশা বাচিয়ে রাখল রংপুর
আস্তে আস্তে নিজের চেনা ছন্দে ফিরছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ছবিঃ বিসিবি

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে ছিল দুটি দলের অবস্থান। শেষ চারের লড়াইয়ে একটু হলেও টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিল না দল দুটির সামনে।

এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিলেট থান্ডারর্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এবারের বিপিএলে নিজেদের আশা বাচিয়ে রাখল রংপুর রেঞ্জার্স। কাগজে-কলমে সম্ভাবনা থাকলেও সিলেটের আশার সম্ভবত এখানেই সমাপ্তি।

মোস্তাফিজুর রহমান-আরাফাত সানিদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে ২০ ওভারে সিলেটের স্কোরবোর্ডে জমা হয় মাত্র ১৩৩ রান।

সেটিও যথেষ্ট প্রমাণ করতে পারেননি সিলেটের বোলাররা। ডেলপোর্ট-নাঈমের ব্যাটিংয়ে ১৬ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই এ রান পেরিয়ে গিয়েছে রংপুর। টুর্নামেন্টে ৭ ম্যাচে মাত্র ২য় জয় রংপুরের।

টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল রংপুর। সেটিকে যথার্থ প্রমাণ করেছেন রংপুরের বোলাররা।

তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সিলেটের রান ৯ উইকেটে ১৩৩ এর বেশি যেতে পারেনি। আজও একা দলকে টেনেছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

৪৭ বল খেলে ৪ টি চার ও ২ টি ছক্কায় ৬২ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন মিঠুন। মিঠুনের ৬২ রানেই সিলেটের স্কোর একটু ভদ্র দেখাচ্ছে।

মিঠুন ছাড়া মোসাদ্দেক হোসেন ১৫ ও রাদারফোর্ড করেছেন ১৬ রান। শেষ দিকে সোহাগ গাজীর ১২ রানে সিলেটের স্কোর ১৩৩ পেরোয়।

মোস্তাফিজুর রহমান আস্তে আস্তে আবার তার ফর্মে ফিরে আসছেন। আজও কিপটে বোলিং করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন।

মোস্তাফিজের করা শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে দুজনই এক্সট্রা কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। অনেকদিন পর হ্যাট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছেন।

হ্যাট্রিক না হলেও ৪ ওভার বল করে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। আরাফাত সানি ৪ ওভারে ২৪ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন।

এছাড়া মুকিদুল ইসলাম, লুইস গ্রেগরি, মোহাম্মদ নবী নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

রানতাড়া করতে নেমে শুরুতে রংপুরও হাঁসফাঁস করেছে। এ ম্যাচে সবার দৃষ্টি ছিল শেন ওয়াটসনের দিকে।

দ্বিতীয় ওভারে টানা চার ডট বলের পর দারুণ এক ইয়র্কারে ওয়াটসনের অফস্টাম্প উপড়ে ফেলেছেন এবাদত হোসেন। প্রথম স্পেলে মাত্র ২ ওভারে ২ রান দিয়েছেন।

এ মৌসুমে হাস্যকর সব ক্যাচ মিসের নমুনা দেখিয়েছে সিলেট। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুরুতেই নাঈম শেখের ক্যাচ মিস না হলে ম্যাচটি অন্যরকম হতে পারত।

এবাদতের অন্য পাশ থেকে বল করছিলেন নাঈম হাসান। ডেলপোর্ট-নাঈম দুজনেই চড়াও হন তার উপর। তবুও পাওয়ার প্লে শেষে রংপুরের রান ৩১।

এরপর শুরু ক্যামেরন ডেলপোর্ট ঝড়। পঞ্চাশ পেরিয়েছেন মাত্র ২৪ বলে। নাভিন উল হকের বলে আউট হওয়ার আগে করেছেন ২৮ বলে ৬৩।

৬ টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ৫ টি চার। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল নাঈমের সাথে ৯৯ রানের জুটি। এ জুটিতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় সিলেট।

শেষ পর্যন্ত নাঈম অপরাজিত ছিলেন ৫০ বল থেকে ৩৮ রানে। অপরদিকে নবী অপরাজিত ছিলেন ১৮ রানে।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক