Connect with us

ক্রিকেট

সিলেটকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলে শুভ সূচনা চট্রগ্রামের

সিলেটের দেয়া ১৬৩ রানের টার্গেট এক ওভার এবং ৫ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় চট্রগ্রাম।

প্রকাশিত

তারিখ

ইমরুল কায়েসের হাফ সেঞ্চুরিতে দূরন্ত সূচনা চট্টগ্রামের। ছবিঃ ডেলি স্টার

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেটকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে চট্রগ্রাম। সিলেটের দেয়া ১৬৩ রানের টার্গেট এক ওভার এবং ৫ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় তারা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবার বঙ্গবন্ধু বিপিএল নামে বিশেষ টুর্নামেন্ট মাঠে গড়িয়েছে। এ নিয়ে বিসিবির জাঁকজমকের কোন কমতি ছিল না।

কিন্তু এ আয়োজনের ফলাফল এল কোথায়? গ্যালারি যে একেবারে দর্শকশূন্য।

খাঁ খাঁ গ্যালারি। ছড়িয়ে ছিটিয়ে গুটিকয়েক দর্শক। এর মাঝেই ক্রিকেটীয় লড়াইয়ে নেমেছিল চট্রগ্রাম এবং সিলেট।

টসে জিতে ফিল্ডিং নেন চট্রগ্রামের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রায়ান এমরিত। শুরুটাও ছিল দূর্দান্ত। দ্বিতীয় ওভারে রুবেল হোসেনের বলে খোঁচা মেরে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছিলেন রনি তালুকদার।

পঞ্চম ওভারে চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রায়াদ এমরিতকে টানা চার চারে এক ওভারেই জনসন চার্লস তুলেছিলেন ১৭ রান।

৭ম ওভারে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ২৩ বলে ৩৫ রান করে ফিরেছেন চার্লস। এরপর জিভান মেন্ডিসও এমরিতকে তুলে মারতে গিয়ে লং-অনে চ্যাডউইক ওয়ালটনের দারুণ ক্যাচে পরিণত হয়েছেন।

মোসাদ্দেক-মিঠুনের জুটিতে ওঠা ৯৬ রানই সিলেটকে ১৬২ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ২৯ রান করে রুবেলের বলে শর্ট কাভারে এমরিতকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মোসাদ্দেক।

শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ মিঠুনের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৮৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে ১৬২ রান তুলেছিল সিলেট থান্ডার। মিঠুন ৪টি চারের সঙ্গে ছয়ও হাঁকিয়েছেন ৫টি।

প্রথম ১৯ বলে করেছিলেন মাত্র ১৫ রান। মুক্তার আলিকে ছয় মেরে শুরু করেছেন, এরপর নাসুম আহমেদের এক ওভারেই মেরেছেন তিনটি ছয়, সে ওভারে মোট উঠেছিল ২৪ রান।

১৬৩ রানের লক্ষ্যে নেমে ছয় ওভারের মধ্যে টপ অর্ডারে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বিপদে পড়ে চট্রগ্রাম।

চতুর্থ ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম।

জুনায়েদ সিদ্দিকি ৭ বলে ৪ রান করে ফেরেন চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে। পরের বলে নাসির হোসেনকে বোল্ড করে সিলেটকে বোলিংয়ে ভালো শুরু এনে দেন নাজমুল।

২৬ বলে ৩৩ করে ক্রমে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা লঙ্কান ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দোকেও তুলে নেন ক্রিসমার স্যান্টোকি।

৬ ওভার শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪২ রান। এরপর জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্লও মাত্র ৩ রান করে আউট হয়ে বিপদ আরো বাড়িয়ে দিয়ে যান।

সেখান থেকেই পাল্টা লড়াই শুরু ইমরুল কায়েস এবং চ্যাডউইক ওয়ালটনের। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৫২ বলে ৮৬ রানের জুটিতে জয়ের কাছে চলে যায় চট্টগ্রাম।

জয় থেকে ১৪ বলে ১৩ রানের দূরত্বে পিছিয়ে থাকতে এবাদত হোসেনকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন ইমরুল। ৫ ছক্কা ও ২ চারে ৩৮ বলে ৬১ রান করেন ইমরুল।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ করে ফেরেন ওয়ালটন। ৩০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক