Connect with us

আন্তর্জাতিক

দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব আল হাসান

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর তা গোপন করার অভিযোগে সাকিবকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।

প্রকাশিত

তারিখ

সাকিব দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ
২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হলেন সাকিব আল হাসান। ছবি: ইএসপিএন ক্রিকইনফো

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর তা গোপন করায় বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি দোষ স্বীকার করায় স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের এই শাস্তির ঘোষণা দেয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

এই শাস্তির ফলে ২০২০ সালের ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রিকেটে মাঠে নামতে পারবেন না বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

এর অর্থ হল, আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না সাকিব। সাকিবের উপর আইসিসির এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভারত সফরে টি-টুয়ান্টি সিরিজে দলের নেতৃত্বে দেবেন মাহমুদউল্লাহ আর টেস্টে দলের নেতৃত্বে থাকবেন মমিনুর হক।

প্রথম এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটানোর সময়ে নতুন করে কোনো আইন না ভাঙলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি থেকে তিনি রেহাই পাবেন। সেক্ষেত্রে ২০২০ সালের ২৯ অগাস্টের পর আবার মাঠে ফেরার সুযোগ পাবেন সাকিব।

আইসিসির দুর্নীতি দমন নীতিমালায় আছে, কোনো ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার, গ্রাউন্ডসের সদস্য, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংশ্নিষ্ট যে কেউ জুয়াড়ির কাছ থেকে যে কোনো ধরনের প্রস্তাব পেলে তাৎক্ষণিকভাবে তা আইসিসি বা সংশ্নিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাদের জানাতে হবে।

যতটা দ্রুত সম্ভব সেটা করার নির্দেশনা আছে। এজন্য প্রতিটি সিরিজ বা টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আইসিসি থেকে ক্রিকেটার এবং অফিসিয়ালদের সচেতন করতে জুয়াড়িদের সম্পর্কে অবগত করা হয়। আইসিসির তালিকাভুক্ত জুয়াড়িদের ছবি ও ফোন নম্বর টানিয়ে দেওয়া হয় ড্রেসিংরুমের পাশে।

প্রতিটি আন্তর্জাতিক সিরিজে আকসুর সদস্য উপস্থিত থাকেন। বাংলাদেশে ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরুর আগেও আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের নির্দেশনা মেনে খেলোয়াড়, টিম অফিসিয়াল, ম্যাচ অফিসিয়াল এবং গ্রাউন্ডস কর্মীদের সচেতন করা হয়।

এ কাজটি করেন বিসিবির দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোর্শেদুল ইসলাম। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা এবং জুয়াড়িদের ছায়া থেকে দূরে রাখতে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ দলের সঙ্গে রাখা হয়েছিল তাকে।

শাস্তির খবর শুনে সাকিব আল হাসান আইসিসির ওয়েবসাইটকে বলেন, ‘যে খেলাটিকে আমি ভালোবাসি, সেখানে নিষিদ্ধ হয়ে আমি চরমভাবে দুঃখিত। তবে আমি এই নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছি। কারণ আমি বিষয়টি অবহিত করেনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইসিসি এসিইউর মূল অংশ বাস্তবায়নে খেলোয়াড়দের ওপরই ভরসা করে থাকে। কিন্তু আমার কর্তৃব্য পালন করিনি।’

তিনি বলেন, সারা বিশ্বের খেলোয়ার ও ফ্যানদের বেশির ভাগের মতো, আমিও চাই ক্রিকেট খেলা হোক দুর্নীতিমুক্ত থাকুক। আমি আইসিসি এসিইউ দলের সাথে কাজ করার অপেক্ষায় আছি তাদের শিক্ষা কর্মসূচিকে সমর্থন দিতেল, তরুণ ক্রিকেটাররা যাতে আমার মতো ভুল না করে তা নিশ্চিত করতে।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক