Connect with us

আন্তর্জাতিক

মেয়ার্স কীর্তির দিনে বাংলাদেশের হতাশা!

প্রকাশিত

তারিখ

এই ছবির স্মৃতিটা নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবে বাংলাদেশ! ছবিঃ এনডিটিভি

টানা চারদিন ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে রাখার পরও শেষদিনে হতাশ করেছে বাংলাদেশ। অভিষেক টেস্টে কাইল মেয়ার্স এর ডাবল সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অবিশ্বাস্যভাবে ৩ উইকেটে হেরেছে মুমিনুল হকের দল।

প্রথম ইনিংসে ব্যাটে বলে মেহেদী হাসান মিরাজের কীর্তির পর দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক মুমিনুল হকের দশম সেঞ্চুরি।

৩৯৫ রানের বিশাল টার্গেট দেওয়ার পর চট্রগ্রাম টেস্টের লাগামটা বাংলাদেশের হাতেই ছিলো।

শেষদিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিলো ২৮৫ রান। বাংলাদেশের ৭ উইকেট।

বা হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম এই উইকেটে ২৫০ রানের টার্গেটকেই জেতার জন্য যথেষ্ট বলেছিলেন।

কিন্তু পঞ্চম দিনে উইকেটের চরিত্রই যেনো বদলে গেলো। চট্রগ্রামের উইকেটে শেষদিনে স্পিনাররা যেভাবে সহজাত টার্ন পান সেটাও দেখা যায়নি।

কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে জয়টা কেড়ে নিয়েছেন মাত্র প্রথম টেস্ট খেলতে নামা উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান কাইল মেয়ার্স ও এনক্রোমাহ বনার।

এই দুজনের দৃঢ়-প্রত্যয়ী ব্যাটিংয়ে এশিয়ার মাটিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

একই সাথে অভিষেক টেস্টে ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন মেয়ার্স।

তার ব্যাটিংয়ের প্ল্যানে স্কোরবোর্ডটা মুখ্য ছিলোনা। নিজের পূর্ণ মনোনিবেশ ঘটিয়েছেন ক্রিজে মাটি কামড়ে পড়ে থাকাতে।

ম্যাচ শেষে এমনটাই জানালেন কাইল মেয়ার্স। তিনি বলেন, ‘আমি আসলে লক্ষ্যের দিকে তাকাচ্ছিলাম না। আমি আমার পরিকল্পনা নিয়ে যতক্ষণ সম্ভব এগোনোর চেষ্টা করছিলাম।’

দুর্গম পথ পাড়ি দিতে দরকার প্রবল আত্মবিশ্বাস। মেয়ার্স সেখানেও উতরে গেছেন। তার বিশ্বাস ছিলো, সারাদিন উইকেটে থাকলেই জিতবে দল। হলোও তাই…

‘চেষ্টা করেছি স্কোরবোর্ডের দিকে না তাকাতে, যত বেশিক্ষণ পারা যায় ততক্ষণ ব্যাট করতে। আমার নিজের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে আমি সারা দিন ব্যাট করতে পারলে দল জয় পাবে।’

সকলের অভিযোগ পঞ্চম দিনের উইকেটের চরিত্রের দিকে থাকলেও এই উইকেটে ব্যাটিং করাকে বেশ চ্যালেঞ্জিং বলছেন ইতিহাস গড়া এই ব্যাটসম্যান।

তিনি বলেন, ‘এই উইকেটে ব্যাট করা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং ছিল। বোলাররা ভালো করেছে। এমন কিছু সময় ছিল যখন আমাদের পিচে খুটি গেড়ে টিকে থাকতে হয়েছে। এরপর রান করার সুযোগ এলে সেটি নিয়েছি।’

ম্যাচ হারার পর অনেক কিছু নিয়েই প্রশ্ন উঠে। আক্ষেপ আছে মেয়ার্স-বনার দুজনকেই সুযোগ পেয়ে রিভিউ নিয়ে আটাকাতে না পারায়।

তবে এটা খেলারই অংশ। দিনশেষে এটাই সত্য, দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ঘরের মাঠে ৩ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ।

হারা ম্যাচেও প্রাপ্তি খোজে পাওয়া যায়।

এই টেস্টে যেমন মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করার পর বল হাতেও দুই ইনিংসেই নিলেন ৪টি করে উইকেট।

আর এইসব প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব মিলিয়ে এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারলেই দলের জন্য মঙ্গল।

ঢাকা টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা সকলের।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক