Connect with us

ক্রিকেট

মেহেদীময় ম্যাচে কুমিল্লাকে পাঁচ উইকেটে হারালো ঢাকা

৪ ওভারে মাত্র ৯ রানে ২ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ৫৯ রানের দূর্দান্ত ইনিংসের জন্য ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন মেহেদী।

প্রকাশিত

তারিখ

ম্যাচটি ছিল ঢাকা প্লাটুন বনাম কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের। তবে ম্যাচ শেষে সেটা মেহেদী হাসান বনাম কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স বললে খুব একটা আপত্তি হবে না।

বল হাতে কিপটে বোলিং এবং ব্যাট হাতে ঝড়ো এক ইনিংসে ঢাকাকে এনে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ এক জয়।

মেহেদীর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সেই কুমিল্লাকে ১ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা।

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন রাজাপক্ষে। অন্য প্রান্তে সৌম্যও দিয়েছিলেন ঝড়ের আভাস।

মাশরাফি নতুন বলে ঝড় সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাকে। নতুন বলে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন। মারাত্মক কিপটে বোলিংয়ে আটকে রেখেছিলেন কুমিল্লাকে।

অন্য প্রান্তে ঝড় তুলছিলেন রাজাপক্ষে। ফিরিয়েছেন মাত্রই শুরু করা সৌম্য এবং সাব্বিরকে। এমন পরিস্থিতেও দিয়েছেন ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান।

ডেভিড মালান পর্যন্ত হাঁসফাঁস করেছেন মেহেদীর বলে। তুলেছেন ১৭ বলে মাত্র ৯।

রাজাপক্ষেকে অবশ্য আটকানো যায়নি। খেলেছেন ৬৫ বলে ৯৬ রানের দূর্দান্ত এক ইনিংস।

এমন ইনিংসের পরেও কুমিল্লার রান ৩ উইকেটে ১৬০। ইয়াসির আলী অপরাজিত ছিলেন ২৭ বলে ৩০ রানে।

কুমিল্লার ইনিংসে মজার একটি ঘটনা ঘটে পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে। ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন ভানুকা রাজাপাকসে।

ডিপ স্কয়ার লেগে থেকে কিছুটা দৌড়ে সহজেই সে ক্যাচ লুফে নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান। রাজাপক্ষেকে আউট করে স্বাভাবিকভাবেই উল্লসিত ঢাকা।

আউট হয়ে যাওয়ায় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান লঙ্কান ব্যাটসম্যান ভানুকা রাজাপক্ষে।

নতুন ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী রাব্বিও মাঠে ঢুকে পড়েন। ওইদিকে প্যাড খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজাপক্ষে।

ঠিক সে সময় তৃতীয় আম্পায়ার মোর্শেদ আলী খান সুমন জানালেন আউট হননি রাজাপক্ষে। ওয়াহাব রিয়াজের বলটি ছিল নো-বল।

তৃতীয় আম্পায়ার নো-বল দেওয়ায় ড্রেসিং রুম থেকে ফের মাঠে নামেন রাজাপক্ষে। এ সময় ২০ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি।

আম্পায়ারদের এমন সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হন ঢাকার খেলোয়াড়রা। তামিম ইকবাল ও মাশরাফি বিন মুর্তজা মাঠেই প্রতিবাদ করেছেন।

ড্রেসিং রুমে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে দেখা গেছে কোচ সালাহউদ্দিনকেও।

তবে ক্রিকেটের বাইলজে আম্পায়ারদের এমন ক্ষমতা আছে বিধায় আবার ব্যাট করতে নামেন তিনি।

১৬১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার প্রথম ওভারে রান ১, সাথে আনামুল হক আউট। এরপরেই মাশরাফি খেলেন টোটকা।

পাঠিয়ে দেন মেহেদী হাসানকে। উদ্দেশ্য মুজিব-উর-রহমানের বল যত বেশি সম্ভব পার করে রান তোলা।

নিজের কাজে একদম সফল মেহেদী। মুজিবকে সাবধানে খেলে অন্যদের তুলে মেরেছেন। দুই চার ও ৬ ছক্কায় মাত্র ২২ বলেই পেয়েছেন ফিফটি।

এক ওভারেই রবিউলকে মেরেছেন চারটি ছয়। অন্যপ্রান্তে তামিম ইকবালের ব্যাটিং ছিল মারাত্মক দৃষ্টিকটু এবং ধীরলয়ের।

২৯ বলে ৫৯ রান করে আল আমিনকে পুল করতে গিয়ে আউট হয়েছেন মেহেদী। ৯ ওভারে ঢাকার রান তখন ৮৪।

এর একটু পরেই ঢাকার রান ৪ উইকেটে ৮৮। তামিম আউট হয়েছেন ৪০ বলে ৩৪ করে।

১৮তম ওভারে প্রথম বলেই আফ্রিদিকে এলবিডব্লু করে হ্যাটট্রিক পেয়ে গিয়েছিলেন মুজীব উর রহমান।

কিন্তু রিভিউ নিয়ে সে যাত্রা বেঁচেছেন আফ্রিদি। পরে ২ ছক্কায় ১৬ বলে ২৬ রান করে ১ বল হাতে রেখেই আফ্রিদি ম্যাচ শেষ করে এসেছেন।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক