Connect with us

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার লাল বলের লড়াই-এর জন্য প্রস্তুত চট্টগ্রাম

আগামীকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

প্রকাশিত

তারিখ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার লাল বলের লড়াই-এর জন্য প্রস্তুত চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ টেস্টে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের। ছবিঃ আইসিসি

আগামীকাল ৫ ই সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

পরিসংখ্যান বলছে দেশের মাটিতে স্বাগতিক হিসাবে টাইগাররা যে কোনো দেশের জন্যই হুমকিস্বরূপ। মিরপুর আর চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে স্মরনীয় জয়ের ইতিহাস এমনটাই জানান দিচ্ছে।

স্বাগতিকদের ফেভারিট তকমাটা অবলীলায় মেনেও নিলেন আফগানিস্তানের প্রধান নির্বাচক ও ভারপ্রাপ্ত কোচ অ্যান্ডি মোলস।

নিজেদের মাটিতে যে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য সে কথা স্বীকার করে তিনি বললেন,

“বাংলাদেশের দলের প্রতি আমাদের সমীহ প্রবল। তারা আমাদের ওপরের পর্যায়ে আছে। তবে আমরা ভীত নই। তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধা করি। ঘরের মাঠে দীর্ঘদিন ধরে দারুণ ক্রিকেট খেলছে তারা।

তিনি আরো বলেন, “আমরা অবশ্যই আন্ডারডগ। বিশ্বের শীর্ষ দলগুলিও বাংলাদেশে এসে ছাড় পায়নি। তাই আমাদের কোনো সংশয়ই নেই যে আমাদের দক্ষতার কঠিন পরীক্ষা হবে এখানে। তবে আমরা যদি নিবেদন ও মনোযোগ দেখাতে পারি, আমরা বিশেষ কিছু করতে সক্ষম।”

সুতারাং ঘরের মাঠ বাংলাদেশ দলের জন্য বাড়তি আত্নবিশ্বাস যোগ করবে সন্দেহ নেই।তবে ভয়ের জায়গাটা রয়েছে মূলত পেস বোলিং ও ব্যাটিং এর ধারাবাহিকতা নিয়ে।

সেই বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কা সফর, ব্যাটিং ব্যর্থতা ভালোই ভুগিয়েছে দলকে। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও ভাবছেন দুই দলের মধ্যে জয়-পরায়জয় নির্ধারনের জায়গা মূলত ব্যাটিং-ই।

তিনি বলেন,‘দেখুন দেশে আমরা তো ভালোই বোলিং করেছি। আমাদের স্পিনাররা সবসসময়ই দূর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে তবে এটিও বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ওদেরও কোয়ালিটি স্পিনার আছে। আমার মনে হয় যে, পার্থক্য গড়ে দিতে পারে এখানে দুই দলের ব্যাটিংটাই।’

থাকবে পেস ইউটিস সংশয়। এর আগেও অবশ্য পেস বোলিং এ শুধু সৌম্যের ওপর ভর করা গঠিত দল দ্বারাই প্রতিপক্ষের মোকাবেলায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ।

অলআউট স্পিন বোলিং নিয়েও মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ দল। পেসার ছাড়া দল গঠন কতটুকু কার্যকরি হবে সেটাও গননায় আসতে পারে যদিও অধিনায়ক এর ব্যাখ্যা দিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সুরে। তিনি বলেন,

“আমার কাছে মনে হয় না এগুলো নিয়ে চিন্তা করার কিছু আছে। বিষয়গুলো নিয়ে আমি একদমই ভাবি না। আমাদের চিন্তা থাকবে ম্যাচটি (চট্টগ্রাম টেস্ট) জেতার। সেটি যদি দুজন সিমার বা তিন সিমার নিয়ে খেলতে হয়, খেলব। এক সিমার নিয়ে খেলতে হলে তাই করব। পরিকল্পনা যাই করি না কেন, সেটাতে অটল থাকার চেষ্টা করব। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করব।”

বিশ্বকাপ আর সবশেষ শ্রীলঙ্কার দুঃস্মৃতি ভুলে যে কোনো অবস্হাতেই জয়ে ফিরতে চান সাকিব। তিনি বললেন জয়টা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এক রানে জিতলেও জয়, ১০০ রানে জিতলেও জয়। ১ উইকেট বা ১০ উইকেটে জিতলেও জয়। জয়টা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

একটা জয়ের প্রত্যাশায় পুরো বাংলাদেশ! দুঃস্নপ্নের ঘরে বারবার হানা দেয়া দুঃসহস্মৃতি মুছে নতুন এক জয়ের গাঁথায় ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন বিভোর পুরো ক্রিকেট টীম। আর সবার আত্নবিশ্বাস,পরিশ্রম আর সাধনা থাকলে জয়ের হর্ষধ্বনিতে চট্টগ্রামের আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হতে কতক্ষণ!

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক