Connect with us

ক্রিকেট

দলগত অনুশীলন শেষে উচ্ছ্বসিত মাহমুদউল্লাহ

প্রকাশিত

তারিখ

দলগত অনুশীলন ব্যাক্তিগত ও দলের জন্যও কার্যকরী বলে মনে করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছবিঃ ফাইল ফটো

প্রায় ছয়মাস পর দলগত অনুশীলন শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের টি-২০ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে স্কিল ট্রেনিং ক্যাম্পের জন্য নির্বাচকদের দেয়া ২৭ সদস্যের দল দুপুর ২টা থেকে অনুশীলন শুরু করে, যা শেষ হয় বিকেল ৫ টায়।

করোনায় ঘরবন্দী থাকলেও ক্রিকেটাররা নিজ বাসায় অবস্থান করেই ট্রেডমিলে ঘাম ঝরিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও ব্যাক্তিগত অনুশীলনের ছবি ও ভিডিও নিয়মিতই দেখা গেছে।

এছাড়া অনেকেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাসার রাস্তায় দৌড়েছেন। এরপর ঈদের আগে ও পরে বিসিবির অধীনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে ক্রিকেটাররা অনুশীলনের সুযোগ পায়।

এবার পুরো দল প্রায় ছয় মাস পর একসাথে অনুশীলন করছে। মূলত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঝুলে থাকা তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সামনে রেখেই এই অনুশীলনের ব্যবস্থা।

২৭ সদস্যের এই দল থেকে শেষ পর্যন্ত তা কমে আসবে ২০-২১ জনে।

গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর প্রথমদিনের দলগত অনুশীলন শেষে এক ভিডিও বার্তায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ জানিয়েছেন অনেকদিন পর একসাথে অনুশীলনে ফিরে সতীর্থরা কতটা উৎফুল্ল।

এমন উপভোগ্য দলগত অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্য পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশের টি-২০ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছি, ব্যাটিং করছি ৪-৫ সপ্তাহ হল। ব্যক্তিগতভাবে অনেকগুলো কাজ করার ছিল।’

‘ব্যাটিং কোচের সাথে কথা হয়েছিল, সে নির্দেশনা অনুসারে কী কী কাজ করা দরকার ছিল বোলিং মেশিনে সেসব করেছি। এখন সতীর্থদের সাথে কাজ করছি, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা হচ্ছে। সতীর্থরাও বেশ উৎফুল্ল এবং আমিও। কারণ দিনশেষে এটা একটা দলীয় খেলা, দলের সবার সাথে মিলে অনুশীলনটা যদি উপভোগ করা যায় ওটা আরও বেশি কার্যকর হয় নিজের জন্য ও সতীর্থদের জন্য।’

করোনাকালীন ঘরবন্দী সময়টাতে স্কিল নিয়ে কাজ করার সুযোগ না থাকলেও ফিটনেসের উন্নতির দিকে বেশ মনযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়ে আরো যোগ করেন,

‘লকডাউনের সময়টাতে আমার একটা জিনিসই উপকার হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। আমার ফিটনেসটা চেষ্টা করেছি যেন আরও ভালো করা যায়। ট্রেডমিলে অনেক সময় ব্যয় করেছি। ফিজিও ও ট্রেনারের গাইডলাইন ছিল, সপ্তাহ বা ৩-৪ দিন পর পর কথা হত কী কী কাজ করা যায়, জিমের প্রোগ্রামগুলো দেওয়া হয়েছে।’

শুধু ফিটনেসই নয়, এর পাশাপাশি স্কিলটাকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। জানিয়েছেন ফিটনেস ও স্কিলের কম্বিনেশনে ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে,

‘ওই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করেছি, ব্যান্ডের কাজগুলো করা হয়েছে। ওগুলো করে বেশ ভালো ফল পেয়েছি। এখন শুধু স্কিলের কাজগুলো করছি। কারণ দিনশেষে স্কিলটাও গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেস ও স্কিল দুটো মিলিয়েই ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ অনেকদিন পর আমরা আজ মিরপুরে দলবদ্ধ অনুশীলন শুরু করলাম ভালো লাগছে।’

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক