Connect with us

আন্তর্জাতিক

ডোপ টেস্টে পজিটিভ কাজী অনিক; সর্বনিম্ন এক বছর নিষিদ্ধ

ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন কাজী অনিক। এর ফলে সর্বনিম্ন এক বছরের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন তিনি।

প্রকাশিত

তারিখ

ডোপ টেস্টে পজিটিভ কাজী অনিক; সর্বনিম্ন এক বছর নিষিদ্ধ
সর্বনিম্ন এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন কাজী অনিক। ছবিঃ ক্রিকবাজ

বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তরুণ বাঁহাতি পেসার কাজী অনিক। ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন তিনি।

এর ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি) থেকে সর্বনিম্ন এক বছরের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন তিনি।

বাংলাদেশের কোন ক্রীড়াবিদের ড্রাগ নেয়ার ঘটনা এই প্রথম।

কাজী অনিক বর্তমানে উদীয়মান ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম নাম। বাংলাদেশ যুবদলের অন্যতম সদস্য তিনি।

২০১৮ আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ১০ টি উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। বিপিএলেও ছিলেন নিয়মিত মুখ।

সুযোগ পেয়েছিলেন রাজশাহী কিংস এবং ঢাকা ডায়নামাইটস এ। এরপর এবার জাতীয় লীগ খেলার মাঝেই এ অধঃপতনের খবর।

খেলোয়াড়দের নিয়মিত ডোপ টেস্ট পরীক্ষা দিতে হয়। এটা এক প্রকার নিয়মই।

জাতীয় ক্রিকেট লিগ চলাকালীন ডোপ টেস্টে পজেটিভ প্রমাণিত হন ২০ বছর বয়সী এই পেসার।

পজিটিভ প্রমাণিত হওয়ায় শেষ রাউন্ডে ঢাকা মেট্রো দল থেকে বাদ দিতে বলা হয়েছিল তাকে।

কদিন আগে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ড্রাফট থেকেও তার নাম তুলে নেয়া হয়।

বিষয়টিকে তখন ট্যাকনিকাল সমস্যা বলে কাটিয়ে দিতে চাইলেও বিষয়টি এখন পরিষ্কার।

যেহেতু তিনি বিসিবির আওতাধীন ক্রিকেটার, তাই তার বিষয়টি বিসিবিই দেখছে।
মেডিক্যাল বিভাগের কাছে এখন তার ডোপ টেস্টের রিপোর্ট আছে।

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল অবেদিন নান্নু জানিয়েছেন, ‘যেহেতু ডোপ গ্রহণ নিষিদ্ধ। আর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তাই কাজী অনিকের ওপর অনিবার্যভাবেই শাস্তির খড়গ ঝুলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি সে ডোপ টেস্টে পজিটিভ। একারণেই সে আমাদের কোন পরিকল্পনায় নেই। তবে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।

কেননা বিসিবির মেডিকেল বিভাগের প্রতিবেদন হাতে পাইনি। হাতে পেলে মিটিং করে ওর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

বাইলজ অনুযায়ী ডোপ পজিটিভ একজন ক্রিকেটার ২ থেকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন। ওর ক্ষেত্রেও তাই হবে।’

বিসিবির ডোপ বিরোধী আইনের ১০.৩.২ ধারার ২.৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ক্রিকেটার এমন অপরাধ প্রথমবারের মতো করলে সর্বোচ্চ দুই বছর অথবা সর্বনিম্ন ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হবেন।

শারীরিক শক্তি বর্ধনের পাশাপাশি নিজেকে ফিট রাখার জন্য অনেকেই নিষিদ্ধ ড্রাগ নিয়ে থাকেন। বিশেষ করে অ্যাথলেটদের মাঝে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

ক্রীড়াবিদদের ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে ক্যারিয়ার নষ্ট হবার নজির আছে ভুরি ভুরি।

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দৌড়বিদ কানাডিয়ান বেন জনসনের ডোপ নিয়ে নিষিদ্ধ হবার ঘটনা সবার জানা।

টেনিসে মারিয়া শারাপোভা কিংবা ক্রিকেটে আন্দ্রে রাসেলেরও ডোপ টেস্টে ঝামেলা পোহানোর নজির আছে।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক