Connect with us

আন্তর্জাতিক

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপে অনিশ্চয়তার মেঘ

প্রকাশিত

তারিখ

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশীপের বাছাই প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ছবিঃ বিসিবি

পাঁচ দিনের টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ২০১৯ সালে চালু হওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অনেকগুলো দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ করোনা মহামারির কারনে বাতিল হয়েছে।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ২০২১ সালের জুনে। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া টেস্ট ম্যাচ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুযায়ী দু বছর চলমান দীর্ঘ ফরম্যাটের এ খেলায় ৯টি টেস্ট খেলুড়ে দেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

প্রত্যেক দলই অপর আটটি দলের মধ্যে যে-কোন ছয়টির বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অংশ নিবে

প্রত্যেক সিরিজই দুই থেকে পাঁচটি টেস্ট খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। সকল দলই তিনটি নিজদেশে ও তিনটি প্রতিপক্ষের মাঠে মোট ছয়টি সিরিজ খেললেও একই সংখ্যক টেস্ট খেলার প্রয়োজন পড়বে না।

প্রত্যেক দলেরই প্রতিটি সিরিজ থেকে সর্বাধিক ১২০ পয়েন্ট লাভের সুযোগ রয়েছে।

লীগভিত্তিক সিরিজ খেলা শেষে সর্বাধিকসংখ্যক পয়েন্ট লাভকারী দুই দল চূড়ান্ত খেলায় অবতীর্ণ হবে।

আগামী বছর জুনে লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সমালোচকরা অনুমান করছেন , তা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল।

কারণ, করোনা সংক্রমণের জন্য নিউজ়িল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের সিরিজ বাতিল হয়েছে।

তবে আইসিসি জানাচ্ছে বাতিল হওয়া দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের নতুন ক্রীড়াসূচি তৈরি হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি।

সোমবার এমন কথাই জানিয়েছেন, সংস্থার ক্রিকেট অপারেশন সংক্রান্ত প্রধান আধিকারিক জেফ অ্যালার্ডাইস। তিনি বলেছেন, ‘‘বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের কারণে যে সিরিজগুলো বাতিল হয়েছে, সেগুলোর পরিবর্তিত সূচি কী ভাবে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে আমাদের।’’

যদিও অ্যালার্ডাইস বলছেন, ‘‘দ্রুত এই দেশগুলির বাতিল হওয়া সফরের পুনরায় ক্রীড়াসূচি বানিয়ে ফেলতে হবে। তবে এটা তৈরি করবে সদস্য দেশগুলোই। আইসিসি নয়। দেখতে হবে, কতগুলো দেশের জন্য নতুন ক্রীড়াসূচি তৈরি করা যায়।’’ আইসিসি চেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে আগামী বছরেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল করা যায়। তবে সম্ভব কি না, সময় বলবে”।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সিরিজ : ভারত (অ্যাওয়ে) – ২ ম্যাচ,পাকিস্তান (অ্যাওয়ে) – ২ ম্যাচ, অস্ট্রেলিয়া (হোম) – ২ ম্যাচ,শ্রীলঙ্কা (অ্যাওয়ে) – ৩ ম্যাচ, নিউজিল্যান্ড (হোম) – ২ ম্যাচ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ (হোম) – ৩ ম্যাচ। অনুষ্ঠিতব্য এ টেস্ট ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ শুধুমাত্র ভারতের সাথে টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক