Connect with us

আন্তর্জাতিক

এমসিসি থেকে সাকিবের পদত্যাগ

ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটি থেকে সাকিবের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকাশিত

তারিখ

এমসিসি থেকে সাকিবের পদত্যাগ
কঠিন সময় পার করছেন সাকিব। ছবিঃ ইএসপিএন

ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন সাকিব আল হাসান। নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এমসিসি কর্তৃপক্ষ। আইসিসির দেয়া ২ বছরের নিষেধাজ্ঞার পরপরই এই সিদ্ধান্ত নেন সাকিব আর হাসান।

দুই বছর আগে ২০১৭ সালের অক্টোবরে এমসিসির ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্য পদ পান সাকিব। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি ক্রিকেটের উন্নয়তে কাজ করেন। বর্তমানে সাকিবের সাথে এই কমিটিতে আছেন কুমার সাঙ্গাকারাও।

যোগদানের পর অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে এই কমিটির দুটি সভায় অংশ নেন সাকিব। ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটি থেকে সাকিবের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

এমসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া খবরে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মাইক গ্যাটিং সাকিবের পদত্যাগের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন,

‘এই কমিটি থেকে সাকিবকে হারানো সত্যি দুঃখজনক। গেল কয়েকটি বছর ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটিতে সাকিবের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। আমরা তার পদত্যাগকে সমর্থন করি। মনে করি, এটিই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।’

এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। এর মাঝে থাকছে এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিবকে এ শাস্তি দিয়েছে আইসিসি। বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক অবশ্য এর দায় মেনে নিয়েছেন। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে তথ্য না জানানোয় এ শাস্তি পেয়েছেন সাকিব।

সাকিব আল হাসানের সাথে ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো যোগাযোগ করেন দিপাক আগারওয়াল নামের একজন বুকি। মূলত তার সাথে হওয়া সকল যোগাযোগ আইসিসির কাছে দাখিল না করার দায়েই বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাকিব আল হাসানের ওপর এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় ধাক্কা খেয়েছে ক্রিকেটবিশ্ব। যে ঝড় উঠেছে তা স্বাভাবিকভাবেই লেগেছে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে। সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় তাঁর অনেক ভক্ত, সতীর্থই কেঁদেছেন নিশ্চিত; হয়তো গোপনে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের আরেক বড় বিজ্ঞাপণ মাশরাফিও সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় কষ্ট পেয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, এই ঘটনায় সামনের কিছু রাত তাঁর নির্ঘুম কাটবে। তবে মাশরাফি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন ২০২৩ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। এবং সেটা সাকিবের নেতৃত্বেই।

কারণ মাশরাফি জানেন কিভাবে জবাব দিতে হয়, কিভাবে ফিরে আসতে হয় এটা সাকিবের ভালো করেই জানা আছে। আর সাকিবকে মাশরাফির চেয়ে কে-ই বা ভালো চেনে বলুন! জাতীয় দলে দুজনের শুরুটা যে রেললাইনের মতো সমান্তরাল।

মাশরাফি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘দীর্ঘ ১৩ বছরের সহযোদ্ধার আজকের ঘটনায় নিশ্চিতভাবেই কিছু বিনিদ্র রাত কাটবে আমার। তবে কিছুদিন পর এটা ভেবেও শান্তিতে ঘুমাতে পারব যে, তার নেতৃত্বেই ২০২৩ সালে আমরা বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলব। কারণ নামটি তো সাকিব আল হাসান…!!!’

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক