Connect with us

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)

ইফতিখার-বাবর নৈপুন্যে পাকিস্তানের সিরিজ জয়

প্রকাশিত

তারিখ

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন ইফতিখার। ছবিঃ ডেইলি মেইল

ইফতিখার আহমেদের বোলিং ও বাবর আজমের ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করলো পাকিস্তান।

টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক চামু চিবাবা। তবে তার এই সিদ্ধান্তের প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন দলের ব্যাটসম্যানরা।

ইফতিখার-মুসাদের বোলিং তোপে পড়ে মাত্র ১৫০ রানের ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা জিম্বাবুয়ে ৪ ওভার ও ৫ বল বাকি থাকতে মাত্র ২০৬ রানেই অল আউট হয়ে যায়।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ শেন উইলিয়ামস। এছাড়া ব্রেন্ডন টেইলর ৩৬ ও ব্রায়ান চারি ২৫ রান করেন।

পাকিস্তানের পক্ষে ১০ ওভারে মাত্র ৪০ রান দিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন ইফতিখার আহমেদ।

এছাড়া অভিষিক্ত মোহাম্মদ মুসা ২টি, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ ও ইমাদ ওয়াসিম নেন ১টি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইমাম-উল হক ও আবিদ আলীর উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৮ রান।

ব্যাক্তিগত ২২ রানে আবিদ বিদায় নিলে অধিনায়ক বাবর আজমের সাথে ইনিংস এগিয়ে নেয়ার কাজ করেন ইমাম।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম ফিফটি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে টেন্ডাই চিসোরোর বলে ব্রেন্ডন টেইলরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমাম উল হক।

তবে এরপর আরো দুটি উইকেট হারালেও শেষপর্যন্ত ক্রিজে অনবদ্য থেকে ম্যাচ শেষ করে আসেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

১৪.৪ ওভার ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় পাকিস্তান। এর ফলে সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেলো স্বাগতিকরা।

দলের পক্ষে ৭৪ বলে ৭৭ রানের অধিনায়কোচিত অপরাজিত ইনিংস খেলেন বাবর আজম।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেন্ডাই চিসোরো নেন ২টি উইকেট। এছাড়া সিকান্দার রাজা ও শেন উইলিয়ামসের ঝুলিতে পড়ে ১টি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

জিম্বাবুয়েঃ ২০৬/১০ (৪৫.১ ওভার) চারি ২৫, টেইলর ৩৬, উইলিয়ামস ৭৫

ইফতিখার ৪০/৫, মুসা ২১/২ ফাহিম ৩০/১, হারিস ৩১/১, ইমাদ ৪৩/১

পাকিস্তানঃ ২০৮/৪ (৩৫.২ ওভার), ইমাম ৪৯, বাবর ৭৭* হায়দার ২৯, ইফতিখার ১৬*

চিসোরো ৪৯/২, সিকান্দার ২৩/১, উইলিয়ামস ৩১/১

ফলাফলঃ পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচঃ ইফতিখার আহমেদ।

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক