Connect with us

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)

আইপিএলের ৫ম শিরোপা জিতলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

প্রকাশিত

তারিখ

টানা ২য়, সবমিলিয়ে ৫ম আইপিএল শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ছবিঃ এনডিটিভি

নিরুত্তাপ ফাইনালে রোহিত শর্মার ঝড়ো ফিফটিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো আইপিএল শিরোপা জিতলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

গেলবারেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রোহিত শর্মার দল।

টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি কাপ্তান শ্রেয়াস আইয়ার। তবে তার সিদ্ধান্তে দুঃস্বপ্ন হয়ে ফাইনালের মঞ্চে নতুন বলে ধোঁয়া উড়ান কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্ট।

দলীয় মাত্র ২২ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন ইনফর্ম মার্কাস স্টয়নিস, শিখর ধাওয়ান ও আজিঙ্কা রাহানে। যার দুটিই বোল্টের!

এরপর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ও রিশাব পান্ট।

দুজনে মিলে গড়েন ৬৭ বলে ৯৬ রানের বড় জুটি। এবারের মৌসুমে প্রথম ফিফটির দেখা পান পান্ট। এরপর ফিফটি তুলে নেন আইয়ারও।

তার অপরাজিত ৬৫ রানের ইনিংসটি আইপিএলের ফাইনালে খেলা যেকোনো অধিনায়কের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস।

শেষদিকে নাথান কোল্টার-নাইলের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে শেমরন হেটমেয়ার ও অক্ষর প্যাটেলকে সাজঘরে পাঠালে ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে দিল্লি ক্যাপিটালস।

মুম্বাইয়ের পক্ষে ট্রেন্ট বোল্ট ৩টি, কোল্টার-নাইল ২টি এবং জয়ন্ত যাদব ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুইন্টন ডি কক ও রোহিত শর্মার উদ্বোধনী জুটিতে উড়ন্ত সূচনা পায় মুম্বাই। মাত্র ৪.১ ওভারে তোলেন ৪৫ রান।

১২ বলে ২০ রান করে ডি কক আউট হলেও উইকেটের অন্যপ্রান্তে অবিরত তান্ডব চালান মুম্বাই কাপ্তান রোহিত শর্মা।

তুলে নেন ফিফটি। আইপিএল ফাইনালে দ্বিতীয় বারের মতো দুই দলের অধিনায়কই ফিফটির দেখা পান।

এর আগে ২০১৬ মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মধ্যকার ফাইনালে ফিফটি করেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও ভিরাট কোহলি।

৫১ বলে ৬৮ রান করে আউট হবার আগে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে আসেন রোহিত শর্মা।

শেষ চার ওভারে মাত্র ২০ রানের প্রয়োজন হয় মুম্বাইয়ের। উইকেটে এসেই টানা দুই চার হাঁকিয়ে সমীকরণটা আরো সহজ করে নেন কাইরন পোলার্ড।

এর আগে আইপিলের এক মৌসুমে তৃতীয় আনক্যাপড প্লেয়ার হিসেবে ৫০০ এর বেশি রান করার মাইলফলক স্পর্শ করেন ইশান কিষাণ।

১৮.৪ ওভারে আনরিখ নর্টিয়ার বলে ক্রুনাল পান্ডিয়া দৌড়ে এক রান নিলে টানা দ্বিতীয়বার ও সবমিলিয়ে ৫ম বারের মতো আইপিলের চ্যাম্পিয়ন হয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

যা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে তাদের তৃতীয় শিরোপা জয়ও।

এর আগে ২০১০ ও ২০১১ মৌসুমে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস।

১৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ইশান কিষাণ।

দিল্লির পক্ষে আনরিখ নর্টিয়া ২টি, কাগিসো রাবাদা ও মার্কাস স্টয়নিস নেন ১টি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

দিল্লি ক্যাপিটালসঃ ১৫৬/৭ (২০ ওভার) পান্ট ১৫, পান্ট ৫৬, শ্রেয়াস ৬৫*

বোল্ট ৩০/৩, কোল্টার-নাইল ২৯/২, জয়ন্ত ২৫/১

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সঃ ১৫৭/৪ (১৮.৪ ওভার) রোহিত ৬৮, ডি কক ২০, ইশান ৩৩*

নর্টিয়া ২৫/২, স্টয়নিস ২৩/১, রাবাদা ৩২/১

ফলাফলঃ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ৫ উইকেটে জয়ী।

প্লেয়ার অব দ্য ফাইনালঃ ট্রেন্ট বোল্ট (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স)।

প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্টঃ জফরা আর্চার (রাজস্থান রয়্যালস)।

ইমার্জিং প্লেয়ারঃ দেবদূত পাডিকাল (৪৭৩ রান, আরসিবি)।

ওরেঞ্জ ক্যাপঃ কে এল রাহুল (৬৭০ রান, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)।

পার্পাল ক্যাপঃ কাগিসো রাবাদা (৩০ উইকেট, দিল্লি ক্যাপিটালস)।

 

পুরোটা পড়ুন
কমেন্ট করুন/দেখুন

ট্রেন্ডিং টপিক